আজ সৌম্য-ইমরুলের খেলা নিয়ে মুখ খুললেন সাকিব

এশিয়া কাপের উদ্বোধনী ম্যাচে পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন শ্রীঙ্কাকে হারিযে চমক দেয় বাংলাদেশ। তাইপরই মুখ থুবড়ে পরে মাশরাফিদের। অন্যদিকে তামিম ইকবালের ইনজুরি দলের জন্য বড় দুঃসংবাদ। তামিম না থাকায় লিটনের সঙ্গী হন নাজমুল হোসেন শান্ত। দু’জনে বরাবরই ব্যর্থ। তাই টিম ম্যানেজম্যান্টের ভাবনা একাদশে পরিবর্তন। তাই টুর্নামেন্টের মাঝ পথেই আরব আমিরাতে উড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে দুই টাইগার ইমরুল কায়েস ও সৌম্য সরকারকে। তবে এই দু‘জন আফগানদের বিপক্ষে শেষ চারের দ্বিতীয় ম্যাচে খেলবেন কিনা সেই বিষয়ে নিশ্চিত নন টাইগার অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান।

সুফার ফোরের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশ দল যখন ভারতের স্পিন সামলানোয় ব্যস্ত। ঠিক তখন বাংলাদেশের মিডিয়ায় ব্রেকিং নিউজ; এশিয়া কাপে দলের সাথে যোগ দিচ্ছেন ইমরুল-সৌম্য।

ম্যাচ শেষে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা বলেছিলেন, ‘তিনি এই দুই ক্রিকেটারের অন্তর্ভুক্তির খবর জানেন না। তার সঙ্গে পরামর্শ হয়নি। হঠাৎই দুই ক্রিকেটারকে দলে নেওয়ার প্রক্রিয়া নিয়ে একই রকম ছিল মাশরাফিরও।’

তাই প্রশ্ন জাগে দলের কাপ্তানের সাথে বিসিবি’র যোগাযোগ কেমন?

শুধু মাশরাফি নন, হুট করে দলে ডাক পাওয়ায় বেশ অবাক হয়েছিলেন এই দুই ক্রিকেটারও। এমন সিদ্ধন্ত এর আগে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে (বিসিবি) খুব কমই নিতে দেখা গেছে।

ম্যাচ পূর্ব সংবাদ সম্মেলনে সাকিব জানিয়েছেন, ‘আমার পক্ষে এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর দেওয়া ঠিক হবে না। আর যারা আসছে তারা খেলবে কিনা এটাও তো নিশ্চিত না!’

এবিষয়ে দেশ সেরা অলরাউন্ডারের আরো বলেন, ‘একটু অস্বাভাবিক। কারণ এমনটি সাধারণত হয় না। তবে দলের প্রয়োজনে যেকোনো পরিস্থিতিতে কোনো সিদ্ধান্ত তো হতেই পারে।’

সাকিব জানিয়েছেন সবাই যখন ব্যর্থ হচ্ছে তখন কারোর না কারোর উপর ভরসা রাখতেই হবে। এই অল রাউন্ডারের বিশ্বাস সৌম্য-ইমরুলরা এই প্রত্যাশার প্রতিদান দিতে পারবেন।‘এখন তো ভরসা করা উচিত কারো উপরে। আশা করি আমাদের ভরসা তারা ডেলিভার করতে পারবে।’